নাবালিকার বিয়ে আটকালো উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ মহিলা থানার পুলিশ। রায়গঞ্জ থানার বাজিতপুর গ্রামের বাসিন্দা সঞ্জয় দাস তার ১৪ বছরের কিশোরী স্থানীয় তাহেরপুর হাইস্কুলের নবম শ্রেনীর ছাত্রী মৌসুমি দাসের বিয়ে ঠিক করে রায়গঞ্জ শহরের বন্দর এলাকার বাসিন্দা পোট্রি ব্যাবসায়ীর সাথে। আগামী বুধবার বিয়ের দিন স্থির হয়েছিল। বিয়ে উপলক্ষে সমস্ত কিছু কেনাকাটা শেষ হয়ে গিয়েছে। বাজনা থেকে প্যান্ডেল সবকিছুরই বায়না দেওয়া হয়ে গিয়েছে। গোপনসূত্রে রায়গঞ্জ মহিলা থানার পুলিশ খবর পেয়ে গতকালই পৌঁছে যায় তাহেরপুরে ওই নাবালিকার বাড়িতে। বিয়ে আটকে দেওয়ার পাশাপাশি এদিন থানায় ডেকে পাঠানো হয় ওই নাবালিকার বাবাসহ অভিভাবকদের। সাবালিকা না হওয়া পর্যন্ত মৌসুমির বিয়ে দেবেননা এই মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়া হয় তার বাবা সঞ্জয় দাসের কাছ থেকে।
মৌসুমির অভিভাবকেরা জানিয়েছেন, তারা গরীব মানুষ। ভালো পাত্র পাওয়ায় বিয়ে দিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। এখন পুলিশ বিয়ে দিতে না করেছে তাই আর বিয়ে দেওয়া হলো না। তবে রায়গঞ্জ মহিলা থানার উদ্যোগে বিয়ে আটকানোর ঘটনা একটি নাবালিকা কে সুস্থ জীবন উপহার দেওয়া হলো একথা নিশ্চিতভাবে বলা যেতেই পারে।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/J_WlaES90DQ