বহু দিন ধরে খুচরো পয়সা নিয়ে নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে খুচরো ব্যবসায়ীদের।অবশেষে ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে কিছুটা হলেও খুচরো পয়সার সমস্যার হাত থেকে রক্ষা পেল উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জের সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে খুচরো ব্যবসায়ীরা। ব্যাঙ্ক গুলি এক হাজার টাকা করে খুচরো পয়সা নেওয়া শুরু করলো। নোট বন্দির পরে বাজারে টাকার সমস্যা মেটানোর জন্য সরকার ব্যাঙ্কের মাধ্যমে খুচরা পয়সা ছেড়েছিল। টাকার সমস্যা মিটলেও এখন উল্টো সমস্যা খুচরো পয়সা নিয়ে, এক প্রকার নাভিস্বাস উঠেছে খুচরো ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারন মানুষদের।খুচরো পয়সার কারণে ব্যবসার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েছে ব্যবসায়ীরা। বিগত দিনে খুচরো পয়সা সমস্যার সমাধানের জন্য ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে ব্যাঙ্ক, পৌরপ্রধান, বিডিও, থানার আসি সহ ব্যবসায়ীদের নিয়ে আলোচনায় বসা হলেও তাতেও কোন সমস্যার সমাধান হয়নি। ব্যাঙ্গ গুলি জানিয়ে দেয় তাঁদের পক্ষে খুচরো পয়সা নেওয়া সম্ভব নয়। কোন প্রকার উপায় না পেয়ে মঙ্গলবার ব্যাঙ্ক খোলার পড় ব্যাবসায়ীরা ১০০০ টাকা করে খুচরো পয়সা নিয়ে ব্যাঙ্কের লাইনে দাড়ায়,প্রথম দিকে ব্যাঙ্ক গুলি নিতে না চাইলেও পড়ে ব্যবসায়ী সমিতির চাপে বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রেয়াত্ব ব্যাঙ্ক ১০০০ টাকা করে খুচরো পয়সা নেয়। এই খুচরো পয়সা নেওয়ার ফলে কছুটা হলেও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা। অভিযোগ এদিন অন্যান ব্যাঙ্ক গুলির মতো কালিয়াগঞ্জে ইউবিআই ব্যাঙ্কের শাখায় খুচরো টাকা নিতে চায়নি। পড়ে ব্যবসায়ীদের সাথে বচসা ব্যাঙ্ক কর্মীদের।খবর পেয়ে ছুটে আসে কালিয়াগঞ্জের পৌরপ্রধান কার্তিক পাল, বিডিও মহম্মদ জাকারিয়া ও পুলিশ প্রশাসন।
পৌরপ্রধান কার্তিক পাল জানান, ব্যাঙ্গ ম্যানেজারের সৌজন্যতা বোধ ছিল না যে পৌরপ্রধান ও বিডিও কে বসতে পর্যন্ত বলেননি। আজ ১টাকা ২টা ৫টা ও ১০ টাকার কয়েন ১০০০ টাকা করে নেওয়া কিছুটা হলেও সমস্যা সমাধান হবে বলে মনে করছে ব্যবসায়ীরা।